সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের বয়সসীমা ক্যাপ তুলে নিলে অসুবিধা কোথায়?

: নজরুল ইসলাম : 

সবকিছু নিয়েই বাংলাদেশে দেন দরবার করতে হয়।তথাকথিত সদ্য স্বাধীন দেশের প্রধান উপদেষ্টা হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন ইনস্ট্যান্টলি যে কোনো দাবি অনুমোদন করা যে কোনো সরকারের পক্ষে কঠিন কাজ।

সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের বয়স অবসর গ্রহণের আগের বছর পর্যন্ত রাখলে অসুবিধা কোথায়? অবসরের একটা নির্ধারিত বয়স সেটআপ করা আছেই। তাই অবসরের আগের বছর যদি কেউ কাজ শুরু করেন তাতে তিনি এক বছর কাজ করেই অবসরে চলে যাবেন, সমস্যা কোথায়?

চাকরিতে আবেদনের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এমন সব বিষয়ে বিবেচনা রেখে জব advertise করত: কাজের বিবরণের সাথে আবেদন প্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের যোগ্যতা ম্যাচ করবে তারাই আবেদন করতে পারবে। চাকুরী এপ্লিকেশন শর্ট লিস্টেড করা যাবে। আবেদনের ভলিয়ম উচ্চ হলে অ্যাপ্লিকেশন submit ডেডলাইনের আগে বন্ধ করা সম্ভব।

ইন্টারভিউ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কিভাবে যথাযথ এবং স্বচ্ছ করা যায় সে বিষয় নিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। দেশে এমনিতেই কর্মসংস্থানের অভাব, বেকার ছেলে মেয়েরা শিক্ষা শেষে কাজের জন্য অপেক্ষমান। এর মধ্যে বয়সের যে সময় সীমারেখা ৩০/ ৩৫ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে বা যা নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করছে সেটা চাকরি প্রত্যাশায় অপেক্ষারত বেকারদের জন্য হতাশাব্যঞ্জক।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিভিল প্রোগ্রামে সব বয়সের এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকেদের সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যে the Equality Act 2010 চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে আবেদন করার সময় বয়সের বৈষম্য থেকে মানুষকে রক্ষা করে।

প্রি প্লান করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সদ্য স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ। দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় এনে ভাবুন দেশ কি আপনাদের নিয়ন্ত্রণে আছে ?

শেখ হাসিনা সরকার যা করে দেখাতে পারেনি তা করে দেখানোর এটা সুযোগ এসেছে আপনাদের হাতের মুঠোয়।

লেখক : নজরুল ইসলাম ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, চিফ এডিটর thesylhetpost.co

Read More: